ইউরিক এসিড কমাবে যে তিন খাবার

প্রিয় পাঠক বন্ধুগন, আশা করি অনকে সমস্যা হচ্ছে যার কারণে ইউরিক এসিড কমাতে আপনি তিন খাবার সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। হ্যাঁ আমরা আপনাকে ইউরিক এসিড সম্পর্কে বেশি কিছু তথ্য জানতে যাচ্ছি। আশা করি আজকের রক্ত পোস্ট করলে আপনি ইউরিক এসিড সম্পর্কে সকল তথ্য জানতে পারবেন। তাছাড়া জানতে পারবেন কি করলে আপনার ইউরিক এসিড কমে যাবে। 
ইউরিক-এসিড-কমাবে-যে-তিন-খাবার
কোন কোন খাবার খেলে আপনার কাছে কমে যাবে বা কোনো ওষুধ খেলে আপনার ইউরিকে যোগ কমবে সেগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। ইউরিক এসিড কমাবে যে তিন খাবার তাছাড়া আপনি জানতে পারবেন আপনি নিজে নিজে কিভাবে কমাবেন। কিংবা যার যার ইউরিক এসিড হবে তার জন্য কি কি খাবার নিষিদ্ধ বা কোন কোন খাবার খাওয়া যাবে কোন খাবার খাওয়া যাবে না সেগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ভুমিকাঃ ইউরিক এসিড কমাবে যে খাবার

ইউরোপ এজেন্ট মূলত আপনার না শরীরের নানা খাবার খেয়ে থাকে। আপনার নানা ধরনের খাবার খাওয়ার ফলে ইউরিক এসিড তৈরি হয়। যার ফলে আপনার নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যখন আজেবাজে খাবার খান তখন আপনার শরীরের রক্ত হয়ে থাকে। এটা আপনার শরীরে হওয়ার পরে এটা কিডনিতে আক্রান্ত হতে পারে খুব সহজেই। 

এটি হওয়ার ফলে কেটে অতিরিক্ত একটা সমস্যা দেখা দেয় যার ফলে কিডনি থেকে কিছু বের করে দেয়। এবং তখন ইউরিক এসিড তখন ভারসাম্য বজায় রাখতে চেষ্টা করে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর রক্ত মাত্রা এতটাই বেড়ে যায় যে আছে বিভিন্ন জায়গায় পয়েন্টে কখনো গোড়ায় গোড়ায় গিয়ে পৌঁছায়। যার ফলে এই আছে তা আক্রান্ত হওয়ার ফলে জয়েন্টের জমা হয়ে যায়। তখনই হঠাৎ করে পেটে ব্যাথা হয়। 
এর ফলে দেখা দেয় কিডনির বেশ কিছু সমস্যা। যা অনেক বড় ধরনের আঘাত হানতে সক্ষম। পিউরিন নামক একটি রাসায়নিক আছে যেই পদার্থ ভেঙে মূলত তৈরি হয় ইউরিক নামক এই এসিড। কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে পিউরিন নামক এই এসিড বেশি হয় যায়। যার ফলে মূলত এই রকম ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই সেগুলো খাবার থেকে মূলত আমাদের সব সময় দূরে থাকতে হবে। 

চেষ্টা করবেন সেগুলো থেকে যত দূরে থাকা যায় ততই ভালো হবে আপনার জন্য। আর সেগুলো খাবার থেকে যদি আপনি এড়িয়ে চলেন তাহলে দেখবেন পর থেকে সেগুলো আর সমস্যা দেখা দেবে না। আজকাল অনেক সময় দেখা যায় যে ইউরিক নামক এই এসিড খুব বেশিই হয়ে থাকে। যার ফলে সেটা হওয়ার আশঙ্কা থাকে অনেক বেশি। অনেকে দেখা যায় যে ইউরিক এসিড রোগে ভুগছেন। 

অনেক সময় অনেকে এরকম আক্রান্ত হয়ে থাকে যার কারণে এটি অনেক সময় কম বয়সী ছেলে মেয়ে উভয় দের জন্য এটা হয়ে থাকে। এটি কোন সময় বয়স মানে না। যে কোন বয়সের মানুষ দের জন্য এটা হয়ে থাকে। যার মূল কারণ হচ্ছে উক্ত পিউরন মুক্ত জাতিয় খাবার খাওয়া। তবে এটি স্বাভাবিক ক্ষেত্রে ইউরিক এসিডের তাপমাত্রা যেগুলো রয়েছে সেগুলো হলো পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩.৪-৭.০ এমজি হওয়ার ফলে এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ২.৪-৬.০ এমজি। তবে সে ক্ষেত্রে যদি তাপমাত্রা বৃদ্ধি হয় সে ক্ষেত্রে আমাদের সমস্যা দেখা দেয়।

কিভাবে বুঝবেন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়েছে

ইউরিক এসিড মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে। সেগুলো লক্ষণ যদি আপনি দেখতে পারেন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার ইউরিক এসিড পেতে পেয়েছে। যখন দেখবেন আপনার ঘন ঘন প্রসাব হচ্ছে বা কোন কোন সমস্যা হয়েছে সেগুলো সময় যদি আপনি লক্ষ্য করতে পারেন তাহলে আপনার বুঝতে পারবেন। 

যে আপনার ঘনঘন প্রসব হওয়ার ফলে আপনি সেট হতে পারে। তাছাড়া ইউরি এসিড খুবই অত্যন্ত খারাপ একটা অসুখ। এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার বেশ কিছু কারণ রয়েছে আবার যেগুলো আবার যেগুলো সমস্যা দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার এসিডের মাত্রা বেড়ে গেছেন সেগুলো তথ্য নিচে দেওয়া হল-
  • গাঁটে বাত হওয়া।
  • ঘাড়ে ব্যাথা হওয়া।
  • ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।
  • উঠতে বসতে অসুবিধা হওয়া।
  • পেসিতে টান ধরা।
আপনি যখন দেখবেন যে আপনার সব সমস্যা হচ্ছে। তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার পিসিতে টান ধরেছে। অথবা ঘাড়ে ব্যথা অথবা ঘনঘন প্রসাব হয়েছে তখন আপনি বুঝতে পারবেন যে, আপনার ইউরিক এসিড এর তাপমাত্রা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তাই সেগুলো থেকে আপনি যদি রক্ষা পেতে হয় তাহলে আপনাকে সব সময় এসব সমস্যা হলে আপনাকে সব সময় সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।

ইউরিক এসিড কমাবে যে তিন খাবার

মানব দেহের উন্নতম একটা উপাদান হলো ইউরিক এসিড। যেগুলো খাবার আমাদের হজম শক্তি করতে সাহায্য করে সেগুলো খাবার হল কার্ব, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন মূলত এই চার চার জাতীয় যৌগ দ্বারা যে কোন খাবার তৈরি হয় সেগুলো খাবার আমাদের শরীরের হজম শক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে। আমাদের শরীরে যে পিউরিন রয়েছে সেগুলো পিউরিন ইউরিক এসিড তৈরি করতে সাহায্য করে। 

এ পিওরিত জাতীয় কিছুতে সবকিছু থেকে মূলত তৈরি হয় বা কাটাগরিতে তৈরি করে ইউরিক এসিডের। শরীরের জন্য বিভিন্ন প্রকার যেগুলো তথ্য রয়েছে সেগুলো হল আমাদের মূল পিওরিক এসিড। ইউরিক এসিডের যেমন ভাল দিক আছে ঠিক তেমনই তার কিছু বাজে স্বভাব বা খারাপ দিকও রয়েছে। যা সব সময় আমাদের উপর প্রভাব ফেলে। তাই আমাদের শরীরের জন্য উচিত হবে ইউরিক এসিড যাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
ইউরিক এসিড আমাদের দেহে ওজন বাড়ানোর মূল কারণ হলো আলকোহলযুক্ত কিছু পান করা। পিউরিন সব সময় এ জাতীয় কিছু বাইরে খাবার যা আছে হাইড করা যায় নামক কিছু খাবার নামে কম হরমন উৎপাদন করতে পারে। নিজস্ব কিছু ডিউরেটিকস রয়েছে যা অতিরিক্ত প্রোটিন বাই ইউরিক এসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে খুব সক্ষম। 

আমাদের রক্তের উচ্চতা যখন বেড়ে যাবে তখন তা হলো হাইপারুরিকেমিযা নামক এসিড হয় তখনো এটার মূল কারণ হলো এই হায় পারোমেনিক এসিড। যখন উচ্চ তাপমাত্রায় ইউরিক এসিডের ফলে বা তরঙ্গের মতো উত্তর সাপের রোগীরা সংখ্যা দেখা দেয় তো ঠিক তখন কিছু খারাপ আর রয়েছে যে শরীরের রক্তের প্রয়োজন ধরে রাখতে সক্ষম হবে। 

এর ফলে বাদবাকি নামক রোগ থেকে আশঙ্কা দেখা দেয় সেগুলো খাবার খাওয়ার পরে আপনি ইউরিক এসিড থেকে একদম আপনি তা নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন। আর তার জীবন আপনার সমবেত বা যেমন যাত্রা কে ধরে রাখার জন্য আপনাকে যেগুলো নিয়ম কারণ মানতে হবে সেগুলো খাবার খেলে আপনি অবশ্যই সেগুলো থেকে মুক্তি পেতে পারেন। 
চা খেলে ওষুধের চিন্তা থেকে আপনি মুক্ত পেতে পারেন। নিচে যে কোন তথ্য দেওয়া আছে এগুলো খেলে যদি আপনি খেতে পারেন তাহলে আপনি চিরকালীন আপনার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ইউরিক এসিড কমাবে যে তিন খাবার তা হলো-
  • অলিভ অয়েল।
  • বাদাম।
  • লেবুর শরবত।
এগুলো খাবার মূলত শরীরের ইউরিক এসিড এর পরিমাণ সবসময় স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নিয়ে আসতে সক্ষম। তাই আমাদের দেহের জন্য অলিভ অয়েল এর জুরি মেলা ভার। বিশেষ করে বিশেষ ধরনের কিছু উৎপাদন রয়েছে যা আমাদের জন্য অনেক আকর্ষণীয় বাদামের একুরিয়ামের পরিমাণ কম থাকে। যা পিরিয়ডের ক্ষেত্রে বাপের ক্ষেত্রে ইউরিক এসিডের তাপমাত্রা স্বাভাবিক করতে অথবা তা নামিয়ে দিতে সাহায্য করে। 

তবে কিছু উৎপাদনের ফলে জাতীয়করণ পরিমাণ কে মাত্র ৪০ গ্রামকে দেখতে পায়।তবে সারা রাস্তাঘাটা বা সচরাচর ক্ষেত্রে বাদাম তুলে দেখতে পাওয়া যায়। তবে সে ক্ষেত্রে ইউরিক এসিড নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে আপনি সব সময় চেষ্টা করবেন এগুলো থেকে যেন সব সময় এড়িয়ে চলা যায়। ইউরিক এসিড সব সময় প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে তার হাতে আর বা ইতিহাস কেই যা লেবুতে রয়েছে হাইড্রেট বা ভিটামিন-সি আছে।

কোন কোন খবার এড়িয়ে চলতে হবে

ইউরিক এসিড থেকে যদি আপনি মুক্ত পেতে চান তাহলে আপনাকে বেশ কিছু খাবার আছে সেগুলো থেকে আপনাকে সব সময় দূরে থাকতে হবে। সব সময় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে যাতে আপনাকে সেগুলো খাবার থেকে এড়িয়ে চলতে পারেন। সেগুলো খাবার থেকে যদি আপনি এড়িয়ে চলতে পারেন তাহলে আপনার অনেক উপকার হবে। এটির ফলে ইউরিক এসিড কমাবে যে তিন খবার সে সম্পর্কে জানতে পারবেন। কোন কোন খাবার খেলে আপনার সমস্যা হতে পারে।
  • রেড মিট।
  • সামুদ্রিক মাছ।
  • ডাল।
  • ব্রকোলি।
  • পালং শাক।
  • মাশরুম।
  • খাবারে তেল কম দিতে হবে।
  • খাবারে মসলা কম কিতে হবে।
মুলত এই খাবার গুলো যদি আপনি কান তাহলে যে কোন সময় আপনার এসিড বেড়ে যেতে পারে। আর সেগুলো খাবার থেকে আপনাকে সব সময় দূরে থাকতে হবে যেগুলো কলা খাবার খেলে আপনার সব সময় সমস্যা হয়। মূলত এই খাবারগুলো যদি আপনি খান তাহলে আপনার অতিরিক্ত এসিড বেড়ে যাবে এবং আপনার খুব সমস্যা হবে। 

এরকম দিতে পারেন এবং মসলা কম দিতে পারেন। ইউরিক এসিড কমাবে যে তিন খাবার! কারণ তেলের মসলা যদি আপনি রান্না কমতেন তাহলে খাবার যদি আপনি খান তাহলে আপনার সব সময় রান্না করার ক্ষেত্রে আপনাদের অসুখ কম হবে।

ইউরিক এসিডের মাত্রা কমানোর ঘরোয়া উপায়

ইউরিক এসিড এক ধরনের রাসায়নিক খাবার যা হজমশক্তির উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে সেক্ষেত্রে ইউরিক এসিড নামক এক ধরনের আমানিয়া সেট যা আছে কিছু কিছু খাবারের মধ্যে যা পাওয়া যায়। রক্তের সঙ্গে মিশিয়ে গিয়ে তাকে কিডনির প্রতিশ্রুতির প্রসবের সঙ্গে বেরিয়ে যেতে পারে। তবে মাঝেমধ্যে দেখা যায় যে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পরিমাণ ইউরিক এসিডের প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
তবে যারা উৎপাদন প্রতিশ্রুতি সব সময় হতে পারে না। পরিবার একভাবে রং ঢংয়ের কারণে ইতিহাস ক্রমটর না হওয়ার কারণে এর পরিমাণ সমস্যা দেখা দেয়। তবে বিশেষজ্ঞ কিছু ডাক্তারের মতে আমাদের শরীরে যে ইউরিক এসিডের মাত্রা বেড়ে যায় তার অবস্থার মন্ত্রণালীর জমা হতে পারে। তবে দীর্ঘদিন পর জামা থাকতে হলে তার স্ত্রীর মত যা হয়। অন্যদিকে মূত্র নালের পাথর জমার ফলে গলব্লাডার কারণে কিছু অন্যরকম কিছু দেখা দেয়।

আপনি ইউরিক এসিডে আক্রান্ত হয়েছেন কিনা বুঝার উপায়

শরীরের ইউরিক এসিড যখন বাড়বে তখন প্রস্রাবের ব্যথা অধিক হাড়ে দেখা দেয়। কারণ এর ফলে কিডনির শরীরে থাকা অতিরিক্ত কিছু ইউরিক এসিড বের করে দিতে পারে। অধিকার সারা শরীরের ইউরিক এসিড মাত্রাকে বেরিয়ে দেয়। তবে এর ফলে প্রস্রাব এর সঙ্গে রক্তপাত হতে পারে। তবে এছাড়াও ইউটিআই বা ইউরিয়া ইট ইনফেকশন। 

ইউরিক অ্যাসিড যা সমস্যা বাড়লে প্রসাবের সময় অনেক জ্বালাপোড়া করে। এ সময় এতটাই বেশি ভয় পাবেন। তবে এই সময়টাতে আপনার কিডাইতে খুব পাথর হতে পারে। তবে এছাড়াও নিকটপত্র স্থানে বা আপনার সঙ্গে নিতে পারেন। আপনার শরীরে যখন নিয়ে রেখে এসিড বাড়বে তখন পিটের নিচে কালো দাগ হবে। 

তবে সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে অনেকটাই পায়ের ব্যথা হয় যে আঙ্গুলের ভাস করতে পারে না। অনেকের খেত্রে দেখা যায় যে অস্থির ক্ষেত্রে ফুলে যায়। বিশেষজ্ঞগণ বলেন যে ইউরিক এসিড লক্ষ্য করলে আপনি চিহ্নিত করবেন এখানকার ক্ষেত্রে ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিস এই জাতীয় এসিডের সমস্যা লাইফ স্টাইল হতে পারে।

মূল কথা - ইউরিক এসিড কমাবে যে তিন খাবার

প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ, আশা করি আপনি জানতে পেরেছেন এতক্ষন ইউরিক এসিড কমাতে যে তিন খাবার আছে সেগুলো যদি আপনি নিয়মিত খেতে পারেন তা আপনার ক্ষেত্রে অনেক ভালো হবে।    ইউরিক এসিড কমাবে যে তিন খাবার! তবে এক্ষেত্রে সকালে ওঠার পরে অনেকের পায়ের ব্যাথা হতে পারে আঙ্গুলের ভাজ ঢেকে দিতে পারে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে আপনি প্রতিপালন করতে পারেন। 

কিছু কিছু খাবার আছে যায় তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে না। সে ক্ষেত্রে কিছু খাবার আছে যেগুলো বাদ দিতে হবে আপনাকে সেগুলো যদি আপনি পারতেন তাহলে আপনারা কোন সমস্যা হবে না। সরদার মতে প্রতিদিন তালিকার খাবারের ক্ষেত্রে যা দিলে কমাতে হবে তেমনটা নয়। এসিড বিপদজনক এটাতে শরীরের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। 
এসিডের বিপদে ছাড়াও নয় রাতের চলতে হবে যে কোন পালং শাক, মাস্রুম, বেড মিড, টমেটো, চিংড়ি, মসুর, সয়াবিন, মুগ ডাল ইত্যাদি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভিডিও পাঠাবেন তখন আশা করি উত্তর পোস্ট আপনার ভালো লাগবে। যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার দিয়ে আমাদের পাশে থাকবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

শামিম বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url