রবীন্দ্র জয়ন্তী সম্পর্কে প্রতিবেদন - রবীন্দ্র জয়ন্তী সম্পর্কে বক্তব্য

প্রিয় পাঠক বন্ধুগণ আজকে আমাদের উক্ত পোস্টার আপনি জানতে পারবেন, রবীন্দ্রনাথ জয়ন্তী সম্পর্কে প্রতিবেদন। রবীন্দ্র জয়ন্তী সম্পর্কে বক্তব্য এবং তাছাড়া জানতে পারবেন রবীন্দ্রনাথের জয়ন্তী সম্পর্কে কিছু বক্তব্য? তাছাড়া রবীন্দ্রনাথের উৎসব পালনের দিন কিভাবে এই উৎসব পালন করা হয় বিদ্যালয়ের জন্মদিন পালনের ক্ষেত্রে স্মৃতিময় দৃশ্য। পর চলন করা হয়েছিল সেদিন স্কুল নয় মাদ্রাসা নয় অফিস আদালয়ে কিছুই নাই সকল কিছুই ছিল নাকি বন্ধ। 
রবীন্দ্র-জয়ন্তী-সম্পর্কে-প্রতিবেদন
আর তাই সকলকে যে জানতে আপনি উক্ত পোস্টে মনোযোগ সহকারে পড়েন আশাকরি এখানে আপনি রবীন্দ্রনাথ জয়ন্তের সম্পর্কে কিছু প্রতিবেদন দেখতে পাবেন। এবং তাছাড়া আরো জানতে পারবেন রবীন্দ্রনাথ জয়ন্তী সম্পর্কে বক্তব্য। কিভাবে রবীন্দ্রনাথ জয়ন্তী পালন করা হয় রবীন্দ্রনাথ করার উৎস।

বিদ্যালয়ে রবীন্দ্রনাথ জন্নদিন পালন

২৫ শে বৈশাখ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর জন্মদিন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলো ভারতের একজন কবি। এবং তাকে বিশ্ব কবি বলা হয়। আর মূলত এই দিন শ্রদ্ধার সঙ্গে সবাই অনুষ্ঠান করে থাকে। পঁচিশে বৈশাখ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন তাই প্রত্যেক বছর পালন করা হয় এই দিনে। আর এ দিনে বিষেশ করে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্কুল কলেজ মাদ্রাসা এবং অফিস আদালত সবকিছু বন্ধ থাকে।

উৎসব পালনঃ 
এই দিনে মূলত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কারখানা এবং ক্লাব গুলোতে অন্যরকমভাবে অনুষ্ঠান দেখা যায় বিভিন্ন রকম ভাবে তা পালন করা হয়। মূলত এই দিনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শরণার্থী তার জন্মদিন। সেই উপলক্ষে সেখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে কিছু কিছু ভাবে নানা রকম ভাবে অনুষ্ঠান করা হয়। 

আবার কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বা বিশ্ববিদ্যালয় এই দিনে নানা ধরনের গান অনুষ্ঠান নাটক এ জাতীয় অনেক কিছু হয়ে থাকে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্রনাথ জয়ন্তী হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন পালন করা হয়। রবীন্দ্রনাথ জয়ন্তী উৎসব পালন করার জন্য আমরা খুব ভালোভাবে এটি পালন করে থাকি। এবং সেখানে কিছু আমিও ভাষণ দিয়ে থাকি প্রতি বছর। 

তাছাড়া এখানে আমিও কিছু আবেগ তো করতে পারি। তাছাড়া আমরা স্কুলে আবদ্ধ করে এবং আমাদের ক্লাব আছে সেখানে কিছু আবেগ করে থাকি আমরা। চেষ্টা করে আমাদের সাদামাটি যাওয়ার চেষ্টা করে আপনিও যেতে চেষ্টা করে আপনার সাধ্যের মধ্যে তাহলে আপনিও পারবেন। সেখানে যদি আপনি কিছু আবৃত্ত করেন তাহলে আশা করা যায় আপনি পুরস্কার পাবেন।

উৎসবের বর্ণনাঃ 
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় অনেক সময় দেখা যায় যে প্রায় এক মাস ধরে উৎসব পালন করা হয়। তাছাড়া অনেক অনুষ্ঠানে নাচ গান হয় কোনদিন না কোনদিন গান কোনদিন নাটক কোনদিন অভিনয়ের বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। তবে একেক জায়গায় একেক রকম ভাবে অনুষ্ঠান করা হয়। আবার কোন কোন জায়গায় কোন অনুষ্ঠান করা হয় না শুধু সাধারণভাবে একটু দোয়া মাহফিল করা হয়। 
অনুষ্ঠান করার জন্য একদিন আগে থেকে একটা মহেশ তৈরি করা হয়ে থাকে নির্দিষ্ট সময় মতো সকল ছাত্র-ছাত্রীরা সেখানে উপস্থিত হয়। এবার নির্দিষ্ট সময় মত শিক্ষক কোন সেখানে হাজির হয় এরপর আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে অনুষ্ঠান শুরু হয়। মূলত এই রকম ভাবে সেদিন অনুষ্ঠান করা হয়। এবং অনেক সময় দেখা যায় যে এই দিনে বিশেষ করে অতিথি আসে মাদ্রাসায় সভাপতির অথবা প্রধান অতিথি। এরপর কে কর রবীন্দ্রনাথের কিছু ইতিহাস বলে কিছু সংক্ষিপ্ত বক্তব্য বলে। 

রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে কিছু কথা বলে। ঈদের পরে ধীরে ধীরে নাচ গানা বৃদ্ধা অংশ কবিতা বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন কিছু হয়ে থাকে। এবং অবশেষে শেষের পথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু অভিনয় করে দেখানো হয় যাদের ছাত্র-ছাত্রীগুলো থেকে শিক্ষা নিতে পারে। এবং এতে বিভিন্ন জায়গা দেখা যায় তো কোন জায়গায় শিক্ষকরা অভিনয় করে কোন জায়গায় ছাত্রছাত্রী হবে না করে আবার কোন কোন জায়গায় দেখা যাচ্ছে। এবং অবশেষে নানা রকমের পুরস্কার দেওয়া হয় সেখানে।

রবীন্দ্র জয়ন্তী সম্পর্কে প্রতিবেদন

২৫ শে বৈশাখ
বরাবর
অধ্যক্ষ
নওগাঁ সরকারি কলেজ, নওগাঁ।
বিষয়ঃ রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে প্রতিবেদন।

জনাব,
সম্পত্তি নওগাঁ সরকারি কলেজে রবীন্দ্রনাথ জয়ন্তী উদযাপনের জন্য আমাদের উক্ত এই নিম্নলিখিত প্রতিবেদন পেশ করছি। গত ২৫ শে বৈশাখ ১৪২৩০ ছিল কবিকোর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ১৬১ তম জন্মদিন। আর এই উপলক্ষে নভা সরকারি কলেজের প্রাঙ্গণে সেমিনার কবিতা পাঠ করা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দক্ষ জনাব রহমান। এবং সভাপতিত্ব করবেন আব্দুর রহিম। 
এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশেষজ্ঞ একজন ডক্টর মোঃ কামরুজ জামান। মূলত প্রধান অতিথি তার ভাষণে বলেছেন রবীন্দ্রনাথের বিচিত্রের সমাবেশের নিজেকে দেখিয়েছেন। তাকে নিয়ে তার অন্যতম সৃষ্টির সময় আমাদের সামনে এসে হাজির হয়। আর তাই অন্তরের সুপ্রভাত এর তাগিদের আব্দুর রহমানের মানুষের স্নিগ্ধ অনুভব করেছিলেন তিনি।

এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে সেখানে বক্তব্য রেখেছিলেন কামরুজ্জামানিকদের কোভিদ রহমান কবি সেলিম মাহমুদ। আর সেখানে কবে আশ্রফেন মর্তুজা বলেন দেখতে জেগে চারিদিকে যেন জ্বলজ্বল ছয়ে যায় চারিদিকে এমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আর তখন তিনি বলেছেন যে ধন্যবাদ তো আকাশের চেতনা গভীর মত তার বন্ধু ঠিক তেমন শূন্যতার অসীমের শূন্যতায় ছিল বমোর। এবং তার রকমময় এর উদ্দেশ্যের মাধ্যমে শূন্যতা অসীম ছিল নির্ধারণের মতে চলছিল লেখা গান চলছিল ফাঁকে ফাঁকে সুর দেওয়ার মতো নাটক মহড়া। 

এবং সেখানে পড়ানোর জ্বলছিল এর মধ্যে হচ্ছিল রবীন্দ্রনাথ তেনে বলেন কবে ছোট গল্পের নাটক শিল্পকনিষ্ঠ দক্ষতা পর্যটন গায়ক শিক্ষক সুরসষষ্ঠ মানুষটির তুলনা আমরা আর খুঁজে পাই না। তবে ডক্টর সায়েদ ইবনেমির বলেন রবীন্দ্রনাথ ভাষণ অথবা ভাষা সংস্কৃতিক সৌম্যতার মর্যাদা আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভার্সনে বলেছিলেন যে তিনি অমর। তিনি ছিলেন আমাদের সাহিত্য সংস্কৃত এর গুরু।

রবীন্দ্রনাথ আমাদের সময় সাময়িক ছেড়েছেন কিন্তু আমাদের মন থেকে ছাড়েন নাই। কারণ রবীন্দ্রনাথ জানার দেহ ছেড়েছেন কিন্তু আজও বাঙালির মনে তিনি রয়ে গেছেন। প্রত্যেক বাঙালির মনে এবং অন্তরে তিনি আছেন। কারণ বাঙালি, কত না পথিক ভাবে জীবন থেকে বেঁচে আছেন। অন্তর সেজনশীল ভাবে মনে উচ্চারণে জীবন থেকে কাউকে ভাবা যায় না আলোচনার মধ্য দিয়ে তিনি অংশ নেন কবি হিমেল বরকত ময়। 
বাংলা বিভাগের যে সকল প্রবাসক আছে তারাই জানে কবে প্রত্যেকটা গান। কবীর সম্পর্কে সে বলতে পারবে যে বাংলা বিভাগের দায়িত্বে রয়েছে স্কুল কলেজ অথবা মাদ্রাসায়। হাজারো কবে জন্মাই মাতৃগর্ভের কিন্তু তাদের কেউ মূল্যায়ন করতে চায় না। তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ ছিল কবি রবীন্দ নাথ ঠাকুর।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিল দর্শনীয় একজন মানুষ সেখানে বন্ধু পায় নাই জন্মগ্রহণ করে নাই তিনি অনুভবে ঘটেছিল সেই দিন। 

তবে সেটি এখনো হয়নি খোলা আমার জীবনের আবেড়ন সম্পন্ন হয়েছিল গোপনে আলোচন। এত তাড়াতাড়ি স্মরণ করা হয় আবিরণ ভাবে। সেমিনারের মূল পতনের সরকারে অধ্যক্ষ কার্যকলিল বলেন চারিদিকে অমানিত কিছু হানাহানি সংমিশ্রেন ও রবীন্দ্রনাথ উজ্জ্বল স্মৃতিসৌধ মানবতার প্রদীপ জ্বালাতে পারে। তাহলে বিশেষ করে সামাজিক ভারসাম্য বজায় রাখা যাবে এবং রবীন্দ্রনাথ উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করা যাবে।

এই উপলক্ষে আয়োজিত কবিতা পাঠ কারা আসরে এক তরুন কবির অংশ নিয়েছিল। আর তাই সমগ্র অনুষ্ঠান সমালোচনা করেছেন সমাজ কল্যান বিভাগ এর অধ্যাপক।

নিবেদক
শামিম হোসেন,
আহ্বায়ক রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন উপ কমিটি।

রবীন্দ্র জয়ন্তী সম্পর্কে বক্তব্য

মাননীয় সভাপতি এবং উপস্থিত মহদয়,
আমরা আজকে এই অনুষ্ঠানে সবাই সমাবেত হয়েছি বাঙালির জীবনে থাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্নদবন উপলক্ষে। ২৫ শে বৈশাখ বাঙালি জাতির স্মরণীয় একটি দিন। তাই আমাদের জীবনের মহত্তম আবেগের আশ্রয় একটি দিন হলো এই দিনটি। মূলত ১২৬৮ গঙ্গোপাধ্যায় দিনটি তার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেছিল। এরপর তিনি এসে বছর বেঁচে ছিলেন। 

৮০ বছর তার জন্য যথেষ্ট হয়েছে বাঙালি জাতির কাছে স্মরণীয় হিসেবে থাকার জন্য। আর তাই আজও তিনি স্মরণীয়। রবীন্দ্রনাথ আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে আমাদের শহীদদের সঙ্গে আমাদের যাদের সঙ্গে আমাদের জীবনের সঙ্গে। বিতাড়িত হয়ে আছেন আমাদের শুধু একজন ব্যক্তি নয়নে জাতের সকলের জন্য আশ্চর্যজনক। বাঙালি জাতি এই জীবনের ৪০ বছর রবীন্দ্রনাথের চিহ্নিত করেছেন। 
বাল্যকালে তিনি সাহিত্যের প্রকাশ ঘটেছিল বয়সের সঙ্গে সঙ্গে তিনি শেষ দিন পর্যন্ত তার এই প্রতিবার বিকাশ অবগত ছিল মনোনীত ভাবে জীবনের এমন একটি দৃষ্টান্ত বিরল রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তা সচরাচর হিসেবে গীতিসংঘের কাব্য নাট্যকার উপস্য ও কবিতা। নানা কিছু আমাদের সামনে তুলে ধরেছে আমাদের কাহিনী। এবং তিনি 1913 সালের সাহিত্যে হিসেবে নোবেল পুরস্কার পান।

আর এইটা সমুদ্রের গাঞ্জার সদ তুলে ধরতে আশ্চর্যজনক হিসেবে কাজ করেছে মাঠের প্রত্যেক কোন অভিযোগ নয় উপস্থিত নয় রবীন্দ্রনাথ আমাদের প্রথম অঞ্চলের সাংস্কৃতিক জনিত আন্তর্জাতিক মাতৃ মানসিকতার অধিকার করেছিলেন। তাছাড়া সভ্যতার জড়িয়ে দেন নিজস্ব সম্পদ নয় তিনি হলেন মানবজাতের একটি সম্পদ। 

দেশকে তিনি বিভিন্নভাবে ভালবাসতেন এবং পরিচর্যা করতেন। দেশের ভালোবাসায় তিনি নাগরিকত্ব করেনা আমাদের মানুষের চেতনা হিসেবে তাকে অব্যাহত রাখে। অনেকেই না জেনে তাকে আহত করো তো খুব বেশি তার কটা স্তর আমরা শুনেছি অনেকবার দেশ নয় বিদেশ নয় বিভিন্ন জায়গায় টেন ঘোষণা দিয়েছেন যে আমাকে নির্যাতন করা হয়েছে।

শেষ কথা

চতুর্থ আজ বাঙালি জাতির ভেবেছে তোমায় নিয়ে। সাহসে মরার নয়তো বেড়ে যায় নয় তো কোন দিনে আবেগের অপর নাম তুমি রবিন্দ্রনাথ আজকের এই সঙ্গীতের মাঝে আছো যে জীবিত। আর তাইতো আমরা প্রতিটি স্বপনে ব্যবহার করে তোমার বিজড়িত। বাঙালি জাতি বলেনি তোমায় ভুলেনি তোমার গান। মনে রেখেছে তোমায় গানের মাধ্যমে কবিতার মাধ্যমে গল্পের মাধ্যমে কর মাধ্যমে উপন্যাসের মাধ্যমে। যা তোমারই হাতের লেখ, তোমারি পরশে লেখা।

এতোক্ষণ ধরে আমরা জেনে ছিলাম বিদ্যালয়ের জয়ন্তী অনুষ্ঠান পালন এর পতিবেদন যদি আপনার ভালো ৱাগে তাহলে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিতে পারেন। আর এমন প্রতিদিন নতুন নতুন পোস্ট পেতে হলে আমাতের সাথেই থাকুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

শামিম বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url